৩. উপাদান
প্রধান সক্রিয় উপাদান হলো সেনোসাইড এ এবং বি। এতে ১.৫-৩% হাইড্রোজায়ানথ্রাসিন গ্লাইকোসাইড থাকে। এছাড়া ফ্ল্যাভোনয়েড, মিউসিলেজ ও খনিজ উপাদান রয়েছে।
৪. পুষ্টিগুণ
এটি মূলত ভেষজ, খাদ্য নয়। এতে ক্যালরি বা প্রোটিনের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নেই। প্রধান কার্যকারী উপাদান সেনোসাইড। খনিজ পদার্থের মধ্যে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম থাকে।
৫. উপকারিতা
প্রধান রোগ নিরাময়
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়ক। এতে থাকা সেনোসাইড অন্ত্রের আস্তরণে উদ্দীপনা তৈরি করে। ফলে অন্ত্রের পেশি সংকুচিত হয়। মল দ্রুত বেরিয়ে যায়। বৃহদন্ত্রে পানি শোষণ বাধাগ্রস্ত হয়। এতে মল নরম হয়। সাধারণত ৬-১২ ঘণ্টায় ফল পাওয়া যায়।
অন্যান্য উপকারিতা
হজম প্রক্রিয়া সক্রিয় করে। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় সহায়ক। ক্ষুধা কমাতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। ত্বকের কিছু সমস্যায় ব্যবহৃত হয়।
৬. ব্যবহারের নিয়ম
আধা চা চামচ গুঁড়া গরম পানিতে মেশান। রাতে খেলে সকালে ফল মিলতে পারে। একটানা সাত দিনের বেশি খাবেন না। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হলে বন্ধ করুন।
৭. সংরক্ষণ পদ্ধতি
শুকনো ও ঠান্ডা জায়গায় রাখুন। বাতাসনিরোধক পাত্রে সংরক্ষণ করুন। আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখুন।
৮. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
অতিরিক্ত খেলে পেটে ব্যথা ও ডায়রিয়া হতে পারে। দীর্ঘদিন খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য ফিরে আসতে পারে। শরীরে পটাসিয়াম কমে যেতে পারে। গর্ভবতী মা ও শিশুদের জন্য নয়। অন্ত্রের প্রদাহ বা অ্যাপেন্ডিসাইটিসে খাবেন না।